মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় । 2023 সালে আদৌ কি সম্ভব ? Completely Guide

মোবাইল-দিয়ে-কিভাবে-ফ্রিল্যান্সিং-করা-যায়

মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় এই বিষয়ে নতুনরা অথবা যাদের কোনো কম্পিউটার নেই তারাই বিশেষ করে খুঁজ করে থাকেন। সবাই অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্যে মুখিয়ে থাকেন। আপনি ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে ফ্রীলান্সিং করে ইনকাম করতে পারলে বাইরে কেন অন্যের কাছে কাজ খুঁজতে যাবেন ?

তাই আমরা ও ডিজিটাল যুগের ছোঁয়ায় এখন নিজের হ্যান্ডসেট দিয়ে বা স্মার্ট ফোন দিয়ে ফ্রিল্যাসিং করতে চাই। সেই সুবাদে আমরা এই নিবন্ধে আলোচনা করবো। মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করা যায়।  কারা মোবাইল দিয়ে ফ্রিলান্সিং করতে পারেবে ? ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্যে কিসের প্রয়োজন?মোবাইল দিয়ে কি কি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা যায়? মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার উপায় ? এবং মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ? 

এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করা হবে। এবং আপনাদের একটি সঠিক দিক নির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা থাকবে। তাই সঙ্গেই থাকুন এবং নিজেকে সাবলম্বী করুন। 

মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়

মোবাইল দিয়ে অনেক প্রকারে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়। তবে এই মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা আগে একটু কঠিন থাকলেও এখন হাতের নাগেলে সব কিছু। একটি স্মার্ট ফোন আপনাকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে। কারণ সেই রকম প্রযুক্তি দিয়ে এখনের মোবাইল গুলি তৈরী করা হয়েছে। 

তবে মোবাইল দিয়ে ওয়েব ডেভলপমেন্ট কিংবা ডিজাইন করতে পারবেন না। এইগুলি ছাড়াও অনেক মাধ্যম আছে যা লেখালেখি বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং,ট্রান্সলেটিং ,ডাটা এন্ট্রির মতো কাজ গুলি আপনি করতে পারবেন। হ্যা যদিও কম্পিউটারের মতো সুযোগ সুবিধা আপনি পাবেনা না। এই লেখাটি(ব্লগটি ও ) মোবাইল দিয়ে লেখা। 

মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন ?

মোবাইল দিয়ে কিভাবে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন সেই বিষয়ে বলতে গেলে আপনার আগে জানতে হবে। যেকোনো একটি বিষয়। যেকোনো একটি বিষয় নিয়ে জানা থাকলে আপনি এই সেক্টরে আগাতে পারবেন। 

সেটা হতে পারে ইউটিবিং ,ফেইসবুকিং কিংবা ডাটা এন্ট্রি অথবা ওয়েব ডিজাইন যেকোনো কিছু। তাহলে আপনাকে আগে ইউটিউব বা গুগল করে সেখানে অনেক টিউটোরিয়াল আপনি পাবেন সেগুলি ভালো করে আগে শিখেন। তাহলে আপনি আরো এগিয়ে যাবেন। তবে এই ক্ষেত্রে ধৈর্য থাকাটা খুব বেশি জরুরি।  যেই বিষয় তা উপরোক্ত টপিকের মূল চালিকা শক্তি। 

 কারা মোবাইল দিয়ে ফ্রিলান্সিং করতে পারবে ?

সবার দ্বারা সব কাজ সম্পাদন করা যায় না। কারণ একেক কাজ একেক জনের জন্যে উপযুক্ত। তাই আপনি কি কাজ ভালো জানবেন বা কোন কাজ টি আপনি ভাল বুজবেন এবং আপনি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। এটি একান্ত আপনার মনের ব্যাপার।কি কি বিষয় নিয়ে কাজ শিখবেন সেই বিষয় সম্পর্কে আগেই বলেছি। কোন কোন বিষয় নিয়ে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়। চলুন তাহলে কারা কারা এই মোবাইল দিয়ে ফ্র্রিল্যান্সিং করতে পারবেন সেই বিষয়টা একটু আলোচনা করি। 

 ১. ধৈর্য : এই ক্ষেত্রে অনেক ধৈর্য ধারন করা প্রয়োজন। মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা তাদের জন্যে সম্ভব নই যাদের কোন ধৈর্য নেই। এখানে ধৈর্য হচ্ছে মেইন চালিকা শক্তি। আপনাকে ধৈর্য ধরে অনেক সময় ব্যয় করে মূল বিষয়টা শিখতে হবে তাহলে তাদের জন্যে সম্ভব এই মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা। 

২. একাগ্রমনতা : আপনার যদি একাগ্রমনতা না থাকে তাহলে এই সেক্টরে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব নই। কারণ এখানে কিছু বিষয় আছে ভাল করে শিখতে হবে। তার জন্যে একাগ্রমনতা খুব প্রয়োজন।  নচেৎ আপনার সময় বেশি লাগবে। 

৩.দৃঢ় বিশ্বাস: এই কাজে দৃঢ় বিশ্বাস থাকতে হবে যে আপনি অবশ্যই মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করবেন। এই দৃঢ় বিশ্বাস যদি না থাকেন তাহলে মনে করবেন আপনি প্রথমদিন থেকে ঠকেছেন। কারন একটি কাজ শিখতে দৃঢ় বিশ্বাস খুব বেশি প্রয়োজন। দৃঢ় বিশ্বাস ই আপনাকে একদিন চুড়ান্ত শিখরে নিয়ে যাবেন। হতাশা গ্রস্ত হলে আর চলবে না। 

হতাশা গ্রস্ত মানুষের কোনো আশা থাকে না। সমস্ত আশা তাদের ম্লান হয়ে যায়। তাই এক্ষেত্রে আপনাকে হতাশা গ্রস্ত হলে এই মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে না। আর যাদের দৃঢ় বিশ্বাসের মাধ্যমে এই কাজগুলি শিখে নিয়েছে  তাদের জন্যে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্যে কিসের প্রয়োজন ?

ফ্রিল্যান্সিং করার জনে আপনার প্রথমে একটি স্মার্ট ফোন প্রয়োজন। যেটি কমপক্ষে দশ হাজার টাকা দিয়ে আপনাকে কিনতে হবে বা থাকতে হবে। সেই মোবাইল টি যদি ৪জিবি রেমের হয় তাহলে একটু ভালো হয়। তারপর আপনার সেই মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। তার সাথে যদি গুগুলিং করার ক্ষমতা থাকে বা গুগল এ সার্চ করার অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনি অনেকটা কিছু জেনে গেছেন। বেশ এইটুকু হলেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্যে প্রস্তুত। 

মোবাইল দিয়ে কিভাবে কি কি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা যায় ?

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা যায় এমন সব কিছু টপিক নিয়ে আলোচনা করবো। যেইগুলি দিয়ে আপনি অনায়াসে মোবাইলের মাধ্যেমে ফ্রীল্যান্সিং করতে পারবেন। এবং ইনকাম করতে পারবেন। 

ট্রান্সলেশন 

ট্রান্সলেশন হলো মোবাইল দিয়ে ফ্রীল্যান্সিং করার একটি অন্যতম মাধ্যম। ট্রান্সলেশন করেও আপনি ফ্রীল্যান্সিং করতে পারবেন।যেমন ধরুন অনলাইনে  অনেকে ভাষা গত জ্ঞান না থাকার কারণে তারা একজন ট্রান্সলেশন করতে পারবে এমন ফ্রিল্যান্সারদের খুঁজে থাকেন। আপনি যদি সেই কাজে অভিজ্ঞ হন তাহলে আপনি সেই কাজটি করতে পারবেন। তবে আপনার তিন, চারটা ভাষার উপর দক্ষতা থাকতে হবে। তাহলে আপনি তাদের লেসন কিংবা কথা বা লিখা কে ট্রান্সলেশন করে দিয়ে ইনকাম করতে পারেন। কেউ মনে করুন বাংলা ভাষা জানেন না কিন্তু সে অন্য দেশের সে কিন্তু ট্রান্সলেশন করে পড়া পড়ার জন্যে বা লিখার জন্যে একজন ট্রান্সলেটোর খুঁজে থাকেন। আপনার যদি সেই বিষয়ে দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি ও মোবাইলের মাধ্যমে এই কাজটি ফ্রীল্যান্সিং কাজটি করতে পারবেন।  

কন্টেন্ট  রাইটিং 

কন্টেন্ট রাইটিং কাজটি আপনি যদি ভালো জানেন তাহলে লোকালি আপনি মোবাইল দিয়ে অনেক ক্লাইন্টের জন্যে আপনি কন্টেন্ট লিখার মাধ্যমে ফ্রীল্যান্সিং করতে পারেন। কন্টেন্ট রাইটিং বলতে কোন প্রোডাক্ট সম্পর্কে অথবা কোনো বিষয় সম্পর্কে আপনি আপনার জ্ঞান দিয়ে লিখে দিলেন। তবে হ্যা প্রফেশনালি কন্টেন্ট রাইটিং করতে যাবেন না তাতে খুব বিপদে পড়তে পারেন। কারণ ইন্টারন্যাশনালে করতে গেলে আপনার অবশ্যই কম্পিউটারের দরকার হবে। 

একাডেমিক রি-রাইটিং 

একাডেমিক রি-রাইটিং বলতে বুজায়, বিভিন্ন দেশে অনেকে যারা কর্ম ব্যস্ত থাকেন তারা ঠিক সময় মতো তাদের ক্লাস গুলি করতে পারে না। কিন্তু জুম মিটিংয়ের মাধ্যেম তারা ক্লাস করলেও সেগুলি ভালো ভাবে না বুজার কারণে, তারা ওই ভিডিও ক্লাসগুলিকে পিডিএফ আকারে রি-রাইটিং করে।যাতে করে সে পরে এই সব ক্লাসগুলিকে আয়ত্ব করতে পারে। এমন সব কাজ গুলি আপনি চাইলে মোবাইলের মাধ্যমে করতে পারবেন।  

সোশ্যাল মিডিয়া মেনেজার  

মোবাইলের মাধ্যমে ফ্রীল্যান্সিং করার ক্ষেত্রে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মেনেজারের মতো কাজগুলিও করতে পারবেন। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার বলতে আমরা যেসব সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলি ব্যবহার করে থাকি যেমন ফেইসবুক,টুইটার ,ইউটিউব এবং পিন্টারেস্ট আরো অনেক মিডিয়া প্লাটফর্ম। সেগুলিতে অনেকে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। ঠিক আপনি ও এই কাজটি মোবাইল দিয়ে ম্যানেজমেন্ট করতে পারবেন। তারমানে হলো ব্যবসায়ীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলি আপনি মেনেজ করবেন। 

ব্লগ রাইটিং 

ব্লগ রাইটিং যেখানে দিন দিন খুব প্রচার হচ্ছে সেখানে আপনি ও কেন বসে থাকবেন? এই ব্লগ রাইটিং আপনি চাইলে মোবাইলের মাধ্যমে করে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। ব্লগ রাইটিং মানে হলো আমরা যেমন অনেক মনের কথা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে নিজে লিখে। ঠিক তেমন করে সেই ভাবে আপনার নিজের যে বিষয় নিয়ে জানেন সেই বিষয়ে আপনি মোবাইল দিয়ে অনলাইনে লিখা লিখি করে ইনকাম করতে পারবেন। তবে এই ব্লগ রাইটিং এটি বড় একটি প্লাটফর্ম। আপনি চাইলে আমাদের এই নিবন্ধে ঘুরে আস্তে পারেন ব্লগ রাইটিং সম্পর্কিত অনেক কিছু এখানে বলা আছে। কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো।

আর পড়ুন ঃ ফ্রিল্যান্সিং এর সহজ কাজ এর মাধ্যমে নিজেকে স্বাভলম্বী করুন

গ্রাফিক্স ডিজাইন 

মোবাইলের দ্বারা গ্রাফিক্স ডিজাইন হতে পারে আপনার ফ্রীল্যান্সিং করার একটি মাধ্যম। তবে অনেকে বলেন মোবাইল দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন হয় না। কথাটা পুরাটা সত্যি নয়। তবে পুরোপুরি মিথ্যা ও নই। কোন কোন ব্যবসায়ী তাদের অনলাইন ব্যবসার জন্যে ব্যানার ডিজাইন করে থাকেন। আপনি সেইগুলি করতে পারবেন। আবার কেউ কেউ ভিজিটিং কার্ড তৈরী করার জন্যে ফ্রীল্যান্সার খুজেঁ। আবার কেউ কেউ তাদের ব্যবসায়িক প্রোডাক্ট এর ছবি এডিটিং করার জন্যে ফ্রীল্যান্সার খুঁজে থাকেন। সেগুলিও আপনি করতে পারেন। তবে বৃহৎ কাজ করতে যাবেন না। বা ইন্টারন্যাশনাল কোনো কাজ করতে যাবেন না। কারণ গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি বৃহৎ সেক্টর যা আপনি কম্পিউটার দিয়ে করলে সেই সমস্ত কাজগুলি করতে পারবেন। এবং এটির জন্যে অনেক বড় একটি প্লাটফর্ম রয়েছে। যা শুধু আপনি কম্পিউটার দিয়ে করতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ?

মোবাইল দিয়ে ফ্রীল্যান্সিং শিখার জন্যে আপনাকে আগে যেকোনো একটি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজটি শিখে নিতে হবে। কারণ বিদ্যা না জেনে পথে নামা  যায় না। তাই যেকোনো একটি বিষয় নির্বাচন করুন যেটি আপনার জন্যে খুব ভালো এবং সহজ হবে। আর আপনার যদি খুব বেশি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে ইচ্ছে করে তাহলে অনেক মাধমে আপনার সামনে উঁকি মারবে।

ব্লগের মাধ্যমে 

তাছাড়া ও আরো আছে যেমন ব্লগ সাইট থেকে ও আপনি কিভাবে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন সে সম্পর্কে ডিটেইলস দেওয়া রয়েছে ব্লগ আকারে। আপনাকে শুধু কষ্ট করে অনলাইন থেকে খুঁজে নিয়ে হবে। আপনি এখন যে লেখাটি পড়ছেন সেটি ও একটি ব্লগ। টিক এই রকম অনেক ব্লগ সাইট আছে ,সেখান থেকে ও আপনি ভালো করে শিখে নিতে পারবেন। 

ইউটিউবের মাধ্যমে 

যেমন আপনি ইউটিউবের মাধ্যমে টিটোরিয়াল দেখে ও মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন। কারণ ইউটিউবে অসংখ্য টিউটোরিয়াল রয়েছে যেগুলি কিনা শুধু কিভাবে মোবাইল দিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে  পারবেন সেই সম্পর্কে দেখানো হয়েছে। 

অনলাইন কোর্স 

এবার বলি অনলাইন কোর্স সম্পর্কে। আপনি এখন এমন অনলাইন কোর্স পাবেন যেখানে শুধু তারা মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবেন তা নিয়ে শিক্ষা দিয়ে থাকেন। সেখান থেকে ও আপনি চাইলে খুব ভালভাবে শিখে এই কাজে লেগে যেতে পারবেন। কারণ এখন সবার কাছে কম্পিউটার না থাকলেও অন্তত একটি স্মার্ট ফোন রয়েছে।  তাই কোর্স যারা করাই তারাও মানুষের মনের অবস্থা বুজে মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারে সে ভাবে তারা ট্রেনিং দিয়ে থাকেন। 

শেষ কথা, মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় এই সম্পর্কে 

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় এই সম্পর্কে আপনার চেতনা হয় তো কিছুটা হলেও পরিবর্তন হয়েছে । ঠিক একি ভাবে কাজটি আগে শুরু করে দিন তাহলে দেখবেন খুব সহজে আপনি এই জগতে রাজত্ব করতে পারছেন । কারন মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা এখন খুব সহজ । যদিও আপনার মনে আগে যেই সমস্যা ছিল হয়ত এখন কিছুটা হলেও আপনি পরিস্কার হয়েছেন। তাই আমি মনে করি মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় এই সন্দেহ দূর করে এগিয়ে যান এবং ইনকাম করেন। 

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী  (FAQ)

মোবাইল দিয়ে কি আদো ফ্রিল্যান্সিং করা যায় ?

হ্যা অবশ্যই মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়। এবং ইনকাম করা যায়। এর প্রমান হলো বিশ্বে যখন মহামারী এসেছে সেই সময় মানুষ মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে ইনকাম করা যায় তার সুফল পেয়েছেন।

মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করা কি সম্ভব ?

কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্ভব আবার কিছু ক্ষেত্রে অসম্ভব। কিছু কাজ আছে যেগুলি দিয়ে আপনি খুব সহজে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে পারবেন। আবার কিছু বিষয় আছে যেগুলি মোবাইল দিয়ে অসম্ভব কম্পিউটারের প্রয়োজন হবে অবশ্যই।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *